Logo Logo

জবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘিরে জোর আলোচনা, নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে রবিউল আউয়াল


Splash Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে সংগঠনের ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও তৎপরতা। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ গত ২৪ ডিসেম্বর শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে জোর আলোচনা চলছে। সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্বের তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রবিউল আউয়ালের নাম আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।


বিজ্ঞাপন


দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে রবিউল আউয়ালকে সম্ভাব্য নেতৃত্বের অন্যতম প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ছাত্ররাজনীতিতে তার সক্রিয় উপস্থিতি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকাণ্ড তাকে নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।

সূত্র আরও জানায়, ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকার কারণে বিভিন্ন সময় হামলা ও মামলার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে পল্টন মডেল থানা এবং নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার থানায় দুটি মামলা রয়েছে। পল্টন মডেল থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে তিনি সাত দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান।

জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন রবিউল আউয়াল। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৯২ দিনব্যাপী হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনের দিন পোলিং এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ কর্মীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও জানান তিনি।

শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্রনেতা এবং ক্লিন ইমেজের সংগঠক হিসেবে পরিচিত রবিউল আউয়াল। অনেক শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তার মতো নেতৃত্ব প্রয়োজন।

জবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য হাবিবুল্লাহ সৌরভ বলেন, “দেশনায়ক তারেক রহমান যোগ্য নেতৃত্বকেই সামনে আনবেন বলে আমরা আশাবাদী। যোগ্য ও ক্লিন ইমেজের নেতাদের মধ্যে রবিউল অন্যতম। যোগ্য ব্যক্তি নেতৃত্বে এলে সংগঠন আরও শক্তিশালী হয়।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রবিউল আউয়াল বলেন, “আমি সবসময় ছাত্রদলের নিয়ম, নীতি ও সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা করি। সংগঠন যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, অধিকার ও ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করব। আমার লক্ষ্য শুধু নেতৃত্ব পাওয়া নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা।”

তিনি আরও বলেন, “আমি চাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এমন একটি শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের অধীনে চলুক, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং ছাত্ররাজনীতি হবে শান্তিপূর্ণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব।”

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...