বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন লামিয়ার যমজ বোন সামিয়া আক্তার।
শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চরমধুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লামিয়া আক্তার নকলা উপজেলার চরমধুয়া গ্রামের সেলিম রেজা মেয়ে। সে চরমধুয়া বিদ্যানিকেতনের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লামিয়া আক্তার ও তার বোন সামিয়া আক্তার বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে যায়। এ সময় তারা সিজদা (৮) নামে এক শিশুকে নদীর পানিতে ডুবে যেতে দেখে। শিশুটিকে বাঁচাতে দুই বোনই পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তারা সিজদাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে তাকে উদ্ধারের সময় লামিয়া পানিতে ডুবে যায়।
পরে স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করে লামিয়াকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে, লামিয়ার জমজ বোন সামিয়া আক্তার ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে যায়।
একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া দুই বোনের একজনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয়রা জানান, নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অন্য শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে লামিয়ার এমন মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তার সাহসিকতা ও মানবিকতার কথা স্মরণ করে শোক প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...