বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের অভিযোগ, সাধুরপাড়া ইউনিয়নের আইরমারী খানপাড়া এলাকায় জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের জন্য যতটুকু বালু প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। উত্তোলন করা অতিরিক্ত বালুর একটি অংশ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে বিক্রি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তাঁরা।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে গাজিউর রহমান মোল্লা বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা ভেঙে গেছে। সেখানে বালু দেওয়া হচ্ছে।’
বালু পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন গাড়িচালক বলেন, উত্তোলন করা সব বালু বকশীগঞ্জে ব্যবহার করা হচ্ছে না। তাঁদের দাবি, কিছু বালু বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মান্না নামে একজন ব্যবসায়ী ওই বালু কিনেছেন বলেও তাঁরা জানান।
এ বিষয়ে মান্নার ছেলে বাবুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা গাজিউর রহমান মোল্লার বালু। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন।’
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। জিও ব্যাগ ডাম্পিং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।’
জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নকিবুজ্জামান খান বলেন, ‘আমাদের ইমার্জেন্সি জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ এক মাস আগেই শেষ হয়েছে। কেউ যদি বালু উত্তোলন করে রেখে বিক্রি করে, তাহলে সেটা আইনবহির্ভূত।’
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...