বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শিশুটির বাবা আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে শেরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত রুহুল আমিন উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের সাতারা চুনাতাপাড়া গ্রামের আলতাফ মুন্সির ছেলে।
অভিযোগ ও ভিকটিমের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শিশুটি নিজ বাড়ির পাশে সহপাঠীদের সঙ্গে খেলাধুলা করছিল। এ সময় অভিযুক্ত রুহুল আমিন বিস্কুট কিনে দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে কৌশলে তাঁর ঘরে ডেকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে ঘরে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে সে চিৎকার করে কান্নাকাটি শুরু করে। অবস্থা বেগতিক দেখে অভিযুক্ত রুহুল শিশুটির মুখ চেপে ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়।
পরবর্তীতে শিশুটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে নানী জমিলা বেগমকে পুরো বিষয়টি বিস্তারিত জানায়। নিহত ও ভিকটিম শিশুটির মা-বাবা উভয়েই ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। ঘটনার খবর পেয়ে তাঁরা ঢাকা থেকে ছুটি নিয়ে নিজ বাড়িতে আসেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুহুল আমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়া সরেজমিনে তাঁর বাড়িতে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি; ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন জানান, শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...