বিজ্ঞাপন
বিকেল ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি তাকে স্বাগত জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিবসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তার যুক্তরাষ্ট্র সফর, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশগ্রহণ এবং সফরের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘের মহাসচিব ও শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক নিয়েও আলোচনা করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক ভাষণের জন্য তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি ভাষণটিকে ‘দূরদর্শী, দৃঢ়প্রত্যয়ী ও দিকনির্দেশনামূলক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক ইস্যুগুলোতে বাংলাদেশের অবস্থানও ভাষণে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুসংহত ও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি জনস্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এ সফর তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রেখেছে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনা হয়।
বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে আসায় রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...