বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরবাগড়ি এলাকায় মো. বাবলু মৃধার ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুল মালেক ফরাজী রাজাপুর সদর ইউনিয়নের পূর্ব ফুলহার গ্রামের নূর মোহাম্মদ ফরাজীর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মালেক ফরাজীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ১০টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালিয়ে আসছিল।
পুলিশ জানায়, মালেক ফরাজীর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর মধ্যে ২০১৯ সালের ৯ জুলাই রাত আনুমানিক ২টার দিকে রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস এলাকায় সংঘটিত একটি ডাকাতির মামলাও রয়েছে। ওই রাতে আব্দুল হক হাওলাদারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ডাকাতির ঘটনার পর গৃহকর্তা আব্দুল হক হাওলাদার হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
এ ঘটনায় রাজাপুর থানায় মামলা নম্বর-৭ এবং জিআর নম্বর-১৪৩/১৯ (রাজা) দায়ের করা হয়। ওই মামলায় মালেক ফরাজী হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ার পর দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মামলাটি বর্তমানে বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে সেশন মামলা নম্বর-১৬৩/২২ হিসেবে বিচারাধীন রয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে চরবাগড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালেক ফরাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
রাজাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুজন বিশ্বাস গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “আব্দুল মালেক ফরাজীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০টি ডাকাতি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...