বিজ্ঞাপন
তিনি বলেন, এসএসসি পরীক্ষা, পবিত্র রমজান এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও জাতীয় দিবসসহ স্থানীয় সামাজিক বাস্তবতাগুলো বিবেচনায় নিয়ে একটি সুসংহত ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে নির্বাচন কমিশন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইউনেস্কোর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ইসি সচিব।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আখতার আহমেদ জানান, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর ‘ব্যালট’ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পুলিশ বাহিনী ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির একটি প্রস্তাব নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।
তিনি বলেন, অপতথ্য, ভুল তথ্য ছড়ানো (ডিসইনফরমেশন) এবং বিদ্বেষমূলক বক্তব্য (হেইট স্পিচ) প্রতিরোধের কৌশল সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সক্ষমতা বাড়ানোই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। এটি কোনো একটি নির্দিষ্ট নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়; বরং স্বাধীন ও ধারাবাহিক সক্ষমতা উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এটি বিবেচনা করা হচ্ছে।
সিনিয়র সচিব জানান, প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রস্তাবটি এখনো একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।
অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে আখতার আহমেদ বলেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে নির্বাচনের সময়সূচিসহ বিভিন্ন প্রস্তাব উঠে এসেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী সেনাবাহিনী মোতায়েনের বিষয়ে কমিশন এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
তিনি আরও বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির সুষ্ঠু ও সফল নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার যে উচ্চ মানদণ্ড তৈরি হয়েছে, নির্বাচন কমিশন তা ধরে রাখা এবং আরও উঁচু পর্যায়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।
এ জন্য ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি সামগ্রিক স্থানীয় পরিবেশ মূল্যায়ন করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান ইসি সচিব।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...