বিজ্ঞাপন
কমিশনের নথিতে চিঠিটির কোনো অস্তিত্ব না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট তথ্য-প্রমাণসহ দুই কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।গত ২১ সেপ্টেম্বর ইউজিসির পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট অনুবিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. মহিবুল আহসান হাসান স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।
ইউজিসির পাঠানো চিঠি সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ আগস্ট দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে ‘নিয়োগ বাণিজ্য কেলেঙ্কারি আড়াল করতে ইউজিসি চিঠি জালিয়াতির আশ্রয় ভিসির’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলম স্বাক্ষরিত ‘প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ’ ইউজিসির নজরে আসে।
প্রতিবাদলিপিতে ইউজিসির ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের একটি ‘অফিস আদেশ’ উদ্ধৃত করে বলা হয়, নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তে কোনো অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ম অনুযায়ী চলবে।
তবে চিঠিতে ইউজিসি জানিয়েছে, তাদের নথি যাচাই করে ওই চিঠির কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি এবং এটি কমিশন কর্তৃক জারি করা কোনো দাপ্তরিক পত্র নয়। কমিশনের নাম, স্মারক নম্বর ও দাপ্তরিক পরিচিতি ব্যবহার করে এমন চিঠি প্রস্তুত বা উপস্থাপনকে গুরুতর বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছে ইউজিসি। একই সঙ্গে প্রতিবাদলিপিতে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে করা দাবিও কমিশনের প্রকৃত নথি ও সিদ্ধান্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানানো হয়েছে।
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জনসংযোগের উপপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম বলেন, “ইউজিসির চিঠির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি দাপ্তরিক পর্যালোচনার পর প্রশাসনিক পর্যায়ে সুরাহা হওয়ায় এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরে সংরক্ষিত রয়েছে।”
সার্বিক বিষয়ে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন বলেন, “২৪ তারিখে হস্তান্তরের পর ইউজিসির ২১ সেপ্টেম্বরের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে চাওয়া তথ্য ও ব্যাখ্যার বিষয়গুলো জবাবে তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়টি মূলত উপাচার্যের দপ্তর-সংক্রান্ত হওয়ায় এ মুহূর্তে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...