Logo Logo

মনোহরদীতে কৃষকদের মাঝে উপকরণ সহায়তা ও কৃষক কার্ড হস্তান্তর


Splash Image

‘কৃষক কার্ড থাকলে হাতে, সেবা পাবেন সাথে সাথে’—এই যুগান্তকারী প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নরসিংদীর মনোহরদীতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম। দেশের কৃষি অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ডাটাবেজের আওতায় আনা এবং প্রকৃত কৃষকদের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে জাতীয় সম্প্রচারের মাধ্যমে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।


বিজ্ঞাপন


বৃহস্পতিবার বিকেলে মনোহরদী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফেনী থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জাতীয় পর্যায়ে কৃষক কার্ড ও সরাসরি আর্থিক সহায়তা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ভার্চুয়াল সংযোগের মাধ্যমে সারাদেশের বিভিন্ন উপজেলার দায়িত্বশীল প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কৃষকেরা যুক্ত হন।

মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহামুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ সজিব মিয়ার সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবু তাহের মোহাম্মদ শামসুজ্জামান, নরসিংদী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আজিজুল হক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুনা আক্তার, মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা এবং উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রান্তিক কৃষকদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন ও হয়রানিমুক্ত সেবা প্রদানে দেশে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনছে এই স্মার্ট কৃষক কার্ড। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর পর্যায়ক্রমে সারাদেশে মোট ৪৩ লাখ কৃষকের তথ্য সংবলিত পূর্ণাঙ্গ জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে পাইলট প্রকল্পের প্রথম ধাপে সারাদেশে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫ জন কৃষককে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রথম ধাপের নিবন্ধিত কৃষকদের মধ্য থেকে ১ লাখ ৪৭ জন কৃষককে নিজস্ব পছন্দের কৃষি উপকরণ ও সার-বীজ কেনার জন্য জনপ্রতি নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, এই কার্ডের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে এবং প্রকৃত চাষির কাছে সরাসরি সরকারি প্রণোদনা, ভর্তুকি, উন্নত কৃষি উপকরণ ও সহজ শর্তের কৃষিঋণ পৌঁছে যাবে। ফলে প্রান্তিক কৃষকের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আরও টেকসই হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...