বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ওই আসনে দলটির একটি অংশ প্রকাশ্যে ও গোপনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানার পক্ষে কাজ করেছে। একই সঙ্গে বিএনপির আরেকটি অংশ দায়িত্ব পালনে আন্তরিক ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের ভাষ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে আওয়ামী লীগ-ঘরানার উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নেতাকর্মীকে বিভিন্ন আশ্বাস দিয়ে নিজের পক্ষে নিয়েছিলেন রুমিন ফারহানা। এ ছাড়া নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে রঙিন বিলবোর্ড স্থাপন, জীবন্ত হাঁস নিয়ে মিছিল এবং প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহারের অভিযোগও করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেসব কেন্দ্রে তার বিজয়ের সম্ভাবনা বেশি ছিল, ভোটগ্রহণের দিন সেসব কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছিল।
জমিয়ত নেতা বলেন, ইসলাম ও দেশের স্বার্থে আলেম সমাজ বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে কাজ করেছে। দেশের বিভিন্ন আসনে আলেম-ওলামাদের সমর্থনে বিএনপির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার দাবি, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি আন্তরিকভাবে কাজ করলে জমিয়তের প্রার্থীও ওই আসনে জয়ী হতে পারতেন।
ইসলামি দলগুলোর ঐক্যের বিষয়ে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, হেফাজতে ইসলামসহ বিভিন্ন ইসলামি দলের শীর্ষ নেতাদের সমন্বয়ে একটি লিয়াজোঁ কমিটি কাজ করছে। ওই প্ল্যাটফর্ম কোনো একক রাজনৈতিক দলের জোটে থাকা যাবে না—এমন সিদ্ধান্ত নিলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামও বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...