বিজ্ঞাপন
এবারের এশিয়ান অলিম্পিক্সে লাল-সবুজ শিবিরের শুরুটাই ছিল ভাগ্যনির্ভর। কোয়ার্টার ফাইনালে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বৃষ্টির পেটে চলে গেলেও নিছক আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের সুবাদে সেমিফাইনালের টিকিট কাটে লিটন দাসের দল। কিন্তু শেষ চারে পা রেখেই চরম বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় তাদের। সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে পাত্তা না পাওয়ার পর ব্রোঞ্জ পদক নির্ধারণী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার তরুণ ও দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষেও লজ্জাজনকভাবে আত্মসমর্পণ করে পূর্ণশক্তির বাংলাদেশ। মাত্র ১০৩ রানের মাঝারি লক্ষ্য তাড়ায় টাইগাররা অলআউট হয়ে যায় স্রেফ ১০২ রানে, ফলে ৬৩ রানের বিশাল হারের গ্লানি নিয়ে আসর শেষ করে তারা।
মাঠের এই ভরাডুবির রেশ কাটতে না কাটতেই সামনে এসেছে তীব্র শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ। জানা গেছে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাঁচা-মরার ম্যাচের আগে ও টুর্নামেন্ট চলাকালে টিম ম্যানেজমেন্টের কোনো রকম পূর্বানুমতি ছাড়াই এক শহর থেকে অন্য শহরে ব্যক্তিগত ভ্রমণে যান দলের গুরুত্বপূর্ণ তিন সদস্য সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয় ও লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। একটি আন্তর্জাতিক মেগা ইভেন্টে অংশ নিয়ে টিম প্রোটোকল ও নিরাপত্তা বিধিমালার এমন চরম লঙ্ঘন টিম ম্যানেজমেন্টের পাশাপাশি দেশের ক্রিকেট বোর্ডকেও দারুণ ক্ষুব্ধ করেছে।
বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে, এ ধরনের শৃঙ্খলাহীনতাকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিচ্ছে না বোর্ড প্রশাসন। কোড অব কন্ডাক্ট বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে এই তিন ক্রিকেটারকে কঠোর সতর্কবার্তার পাশাপাশি মোটা অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের প্রত্যেককে ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানা গুনতে হতে পারে। বিষয়টি এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত খেলোয়াড়দের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...