Logo Logo

বিশ্ব শিক্ষক দিবসে প্রিয় শিক্ষিকার প্রতি ডেন্টাল শিক্ষার্থীর আবেগঘন স্মৃতিচারণ


Splash Image

বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে তাঁর প্রিয় শিক্ষিকা মোসাঃ সালমা খানমের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন গোপালগঞ্জের সন্তান ও পাইওনিয়ার ডেন্টাল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী শ্বাশতি ইসলাম সুষমা।


বিজ্ঞাপন


গোপালগঞ্জ পৌরসভার মিয়াপাড়া কবরস্থান রোডের বাসিন্দা শ্বাশতি জানান, হাইস্কুল জীবনে শিক্ষিকা সালমা খানমের থেকে পাওয়া দিকনির্দেশনা ও শিক্ষা আজও তাঁর জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা যুগিয়ে চলেছে। সালমা খানম কেবল একজন শ্রেণিকক্ষের শিক্ষক ছিলেন না, বরং জীবনের প্রতিটি বাঁকে পথপ্রদর্শক ও অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেছেন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে শ্বাশতি বলেন, পাঠ্যবই কিংবা ক্লাসরুমের চার দেয়ালের বাইরেও শিক্ষিকার কাছ থেকে মানবিক মূল্যবোধ, সম্পর্কের গুরুত্ব, প্রিয়জনকে সম্মান করা এবং জীবনের প্রতিকূলতায় অটল থাকার পাঠ পেয়েছেন তিনি। শিক্ষিকার প্রতি গভীর ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে সালমা খানম যখন ডে শিফট থেকে মর্নিং শিফটে বদলি হন, তখন শ্বাশতি ও তাঁর দুই বান্ধবীও নিজেদের শিফট পরিবর্তন করে মর্নিং শিফটে চলে যান।

শিক্ষিকার নিজস্ব জীবনসংগ্রাম ও সাফল্যকে অনুপ্রেরণার পরম উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন শ্বাশতি। নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সালমা খানম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলাম শিক্ষায় স্নাতকোত্তর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এড ডিগ্রি অর্জনে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। একই সঙ্গে তিনি নিজ সন্তানকেও উচ্চশিক্ষায় সফলভাবে গড়ে তুলেছেন; তাঁর কন্যা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়নরত।

মেডিকেল ও ডেন্টাল সেক্টরকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেওয়ার পেছনে প্রিয় শিক্ষিকার অবদান অসামান্য উল্লেখ করে শ্বাশতি সুষমা বলেন, একজন প্রকৃত শিক্ষক কেবল প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান দেন না, বরং শিক্ষার্থীর চিন্তা, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করেন। বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সালমা খানমসহ বিশ্বের সকল শিক্ষকের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...