Logo Logo

সভাপতি আবু সাইদ এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি গঠন


Splash Image

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় (রবি) শাখার আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য অনুমোদিত এই কমিটিতে আবু সাইদকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ হাসানকে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি নাজমুল হাসান এবং সাধারণ সম্পাদক সানাউল্লাহ হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আগামী এক মাসের মধ্যে কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

নবগঠিত আংশিক কমিটিতে সভাপতি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু সাইদ, সহ-সভাপতি তামজিদ হাসান ধ্রুব, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আকাশ খান, সাংগঠনিক সম্পাদক পুষ্প চন্দ্র বর্মন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আশিক রাজ, দপ্তর সম্পাদক আরিফ হাসান, অর্থ সম্পাদক মো: সিহাব সরকার এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এলো চাকমা।

এ বিষয়ে সভাপতি আবু সাঈদ বলেন, “দায়িত্ব গ্রহণের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে নবগঠিত কমিটির সভাপতি আবু সাইদ বলেন, আমাদের একাত্তরের চেতনার সাংস্কৃতিক প্রতিফলন আমাদের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’, যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সেই রবীন্দ্রনাথের নামেই প্রতিষ্ঠিত রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। তাই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের প্রশ্নটি কেবল কিছু শিক্ষার্থীর অবকাঠামোগত দাবি নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাষ্ট্রের সাংস্কৃতিক দায়, জাতীয় আত্মপরিচয় ও একাত্তরের চেতনার বাস্তবায়ন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ মনে করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের শুধু অধিকার নয়, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অধিকারেরও অংশ। যে রাষ্ট্র রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে জাতীয় সত্তার প্রতীকে ধারণ করেছে, সেই রাষ্ট্রের দায়িত্ব তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি স্থায়ী, মর্যাদাপূর্ণ ও জ্ঞানচর্চার উপযোগী ঠিকানা দেওয়া। স্বাধীনতার চেতনাকে শুধু স্মরণ নয়, প্রতিষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করাই তার প্রকৃত সম্মান। ক্যাম্পাস শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা নয়; কখনো কখনো একটি জাতির সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের স্থায়ী ঠিকানাও। অতএব, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে আর বিলম্ব নয়, রাষ্ট্রের দৃষ্টি এখনই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ফিরতে হবে।

এদিকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মোহাম্মদ হাসান বলেন, “রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকদের সার্বিক সহযোগিতায় ছাত্র অধিকার পরিষদ সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার, কল্যাণ ও স্বার্থে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষক রাজনীতি, যেকোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নের বিষয়ে আমরা সবসময় সোচ্চার থাকব। শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে আমরা সামনে থেকে কাজ করে যাব।”

প্রতিবেদক- মোঃ হাফিজ, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...