বিজ্ঞাপন
গত কাল মঙ্গলবার ঘটেছে এ ঘটনা। রাশিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশ করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লাইবেরিয়ার পতকাবাহী আফরাম্যাক্স রিও নামের সেই জাহাজটিতে নাভাল (সমুদ্রে ব্যবহারের উপযোগী) ড্রোন আঘাত হেনেছিল। হামলার পর জাহাজটিতে আগুন ধরে গিয়েছিল এবং অল্প সময়ের মধ্যে সেই আগুন পুরো জাহাজে ছড়িয়ে পড়েছিল।
“মোট ২৩ জন নাবিক ছিলেন জাহাজটিতে। রাশিয়ার কোস্টগার্ড বাহিনীর উদ্ধারকারী টিম যখন জাহাজটির কাছে পৌঁছায়, সে সময় পুরো জাহাজে আগুন ছড়িয়ে পড়েছিল। জাহাজে মোট ২৩ জন নাবিক ছিলেন এবং তারা সবাই ভারতীয়। আগুনের তেজের কারণে তাদের উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে, তবে সবাইকে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।”
নাবিকদের উদ্ধারের পর দমকল বাহিনীর কয়েকটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায় বলে জানানো হয়েছে রুশ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।
সামাজিক যোগাাযোগমাধ্যমে জ্বলতে থাকা সেই জাহাজটির ছবি প্রকাশিত হয়েছে। সেসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সাগরের বুকে পানিতে জাহাজটি দাউদাউ করে জ্বলছে এবং কালো ধোঁয়ার বিশাল কুন্ডলি উঠছে সেই জাহাজটি থেকে।
হামলাটি ঘটেছে কৃষ্ণ সাগর তীরবর্তী রুশ রিসোর্ট শহর সোচি’র কাছাকাছি সাইরিয়াস এলাকায়। এ ঘটনার পর সাইরিয়াসের সবগুলো সাগরতীরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
কোনো পক্ষ এখন পর্যন্ত হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে এটি যে ইউক্রেন ঘটিয়েছে— তা মোটামুটি নিশ্চিত। কারণ গোয়েন্দা তথ্য বলছে, রুশ অপরিশোধিত তেল পরিবহনের সাথে জড়িত জাহাজগুলোর ওপর নজরদারির অংশ হিসেবে ট্যাঙ্কারটি এর আগেই ইউক্রেনের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল।
সূত্র : এএফপি, ফার্স্টপোস্ট
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...