বিজ্ঞাপন
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, ক্লাবের একটি প্রভাবশালী অংশ এমবাপের এমন উদাসীন মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে নিচ্ছে না। চলতি মৌসুমে দলের সবচেয়ে বড় তারকা ও অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে তার কাছে যে ধরনের দায়বদ্ধতা ও পেশাদার নেতৃত্বের প্রত্যাশা ছিল, চোটকালীন এই ভ্রমণ ও আনন্দোল্লাস তার সঙ্গে স্পষ্টত সাংঘর্ষিক বলেই মনে করছেন সমালোচকরা।
তবে ক্লাব সূত্রের দাবি, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণহীন নয়। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর মেডিকেল টিমের অনুমতি এবং সুস্পষ্ট নির্দেশনার ভিত্তিতেই এমবাপেকে মাদ্রিদের বাইরে পুনর্বাসন ও ব্যক্তিগত বিশ্রামের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স নিয়ে যেখানে আগে থেকেই ক্লাবে চাপ রয়েছে, সেখানে চোটগ্রস্ত অবস্থায় এ ধরনের প্রকাশ্য বিনোদন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্লাব এবং খেলোয়াড়—উভয়ের ভাবমূর্তিকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে মনে করছে ম্যানেজমেন্টের একাংশ।
এমবাপের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিস্তারিত বিবৃতি প্রকাশ করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ফ্রান্সের হয়ে তুরস্কের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময় বাঁ পায়ে অস্বস্তি অনুভব করেন তিনি। পরবর্তী মেডিকেল পরীক্ষায় তার বাঁ হাঁটুর পেছনের ক্যাপসুলে হাইপারএক্সটেনশন (Hyperextension of the posterior capsule) শনাক্ত হয়, যার ফলে তাকে মাঠের বাইরে পাঠানো হয়।
অবশ্য আন্তর্জাতিক বিরতি কাটিয়ে ইতিমধ্যেই মাদ্রিদে ফিরে দলীয় সুযোগ-সুবিধায় ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরু করেছেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। তবে ফুটবলপ্রেমীদের সব চোখ এখন আগামী শনিবার ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ঘরের মাঠের লড়াইয়ে। ইনজুরি কাটিয়ে তিনি মূল একাদশে ফিরছেন কি না, তার চেয়েও বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর গ্যালারি তাকে করতালিতে বরণ করে নেয়, নাকি দুয়োধ্বনিতে স্বাগত জানায়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...