বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার বগারচর ও সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী নঈম মিয়ার বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে আসে। এর কিছুক্ষণ পরই শুরু হয় তীব্র ঝোড়ো হাওয়া। মুহূর্তের মধ্যে ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে পুরো এলাকা। ঝড়ের তাণ্ডবে সড়কের পাশের পুরোনো ও মাঝারি আকৃতির কয়েকটি গাছ উপড়ে এবং ভেঙে সড়কের ওপর পড়ে যায়। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি কয়েকটি দোকানপাট ও ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নঈম মিয়া বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, ‘হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে তীব্র বাতাস শুরু হয়। বাতাসের বেগ এত বেশি ছিল যে চোখের পলকে কয়েকটি বড় গাছ ভেঙে সড়কের ওপর পড়ে যায়। তখন সড়কে মানুষের চলাচল কম থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি।’
খবর পেয়ে বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সড়কের ওপর পড়ে থাকা গাছ অপসারণের কাজ শুরু করে।
বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার হাসেন আলী বলেন, ‘খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। ঝড়ে প্রায় ছয় থেকে সাতটি বড় গাছ ভেঙে সড়কের ওপর পড়েছে। আমরা গাছগুলো সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি। আশা করছি, এক ঘণ্টার মধ্যে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।’
বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সড়ক পরিষ্কার করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উপড়ে যাওয়া গাছগুলোও সরিয়ে ফেলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক ঝোড়ো হাওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...