Logo Logo

নারীদের সম্মান বাড়াতে তাদের ফ্যামিলি কার্ড দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী: এস এম জিলানী


Splash Image

সমাজে ও পরিবারে নারীদের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতি পরিবারের নারী সদস্যের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী।


বিজ্ঞাপন


শনিবার সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এস এম জিলানী বলেন, “আমাদের সমাজে দীর্ঘদিন ধরে নারীরা অবহেলিত অবস্থায় রয়েছেন, কারণ তারা সরাসরি কোনো অর্থনৈতিক রোজগারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন না। সমাজে ও পরিবারে নারীদের সম্মান বৃদ্ধির লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী পরিবারের নারী সদস্যের নামে এই ফ্যামিলি কার্ড বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সংসদ সদস্য বলেন, গত ১৭ বছর ধরে একটি ফ্যাসিবাদী সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশের প্রতিটি অর্থনৈতিক ভিত পুরোপুরি ধ্বংস করে দিয়েছে। লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হওয়ার কারণে বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতি অত্যন্ত ভঙ্গুর অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার এক কঠিন ও ভঙ্গুর অর্থনীতির ওপর দাঁড়িয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলে একযোগেই দেশের সব পরিবারের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হতো। তবে বর্তমান সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে দেশের অর্থনীতি দ্রুত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এবং ক্রমান্বয়ে তা আরও সুদৃঢ় হচ্ছে।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী ও সমাজসেবা কর্মকর্তা প্রকাশ চক্রবর্তী।

অনুষ্ঠানে দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসির হোসেন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিহাদুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক গোপাল সরকার এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

উদ্বোধনী পর্বের আলোচনা শেষে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সঠিক তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ১৫ জন মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহকারী ও একজন সুপারভাইজারের হাতে আধুনিক ডিজিটাল ট্যাব হস্তান্তর করা হয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...