Logo Logo

হেডম্যান কার্বারীদের নিয়ে বিলাইছড়ি সেনাজোনের মতবিনিময় সভা


Splash Image

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হেডম্যান ও কার্বারীদের সঙ্গে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিলাইছড়ি সেনাজোন (২৯ বীর)।


বিজ্ঞাপন


বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিলাইছড়ি সেনাজোন (২৯ বীর)-এর প্রধান কার্যালয়ে এই সভার আয়োজন করা হয়।

বিলাইছড়ি জোনের (২৯ বীর) জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী, পিএসসি-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত হেডম্যান ও কার্বারীরা উপস্থিত থেকে নিজ নিজ এলাকার নানা সমস্যা ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন ক্লাব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াসাত রহমান ফারুকী বলেন, এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ২৯ বীর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে বিলাইছড়ির শান্তি-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে। এ অবস্থা বজায় রাখতে তিনি হেডম্যান ও কার্বারীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আপনারা এখানকার স্থানীয় বাসিন্দা। যুগ যুগ ধরে এ এলাকায় বসবাস করছেন। তাই এ অঞ্চল সম্পর্কে আপনারা আমার চেয়ে ভালো জানেন। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাইরের কোনো দুষ্টচক্র বা দুষ্কৃতিকারী অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ পাবে না।’

আসন্ন সার্বজনীন শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন জোন কমান্ডার। তিনি বলেন, দুর্গাপূজা সফলভাবে আয়োজন করতে বিলাইছড়ি সেনাজোন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবারও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

সভায় রাঙ্গামাটি বা কাপ্তাইয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাছ পরিবহনের বিষয়েও কথা বলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে জোন কমান্ডার জানান, গাছ কাটার অনুমতি চেয়ে তাঁর কাছে এখনো অনেক আবেদন জমা রয়েছে। বৈধ মালিকানার কাগজপত্র এবং বন বিভাগের প্রয়োজনীয় ফরম দেখাতে পারলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গাছ বিক্রির অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘আপনার বাগানে লাগানো গাছ বিক্রি করে চিকিৎসা করাবেন, বাড়ি তৈরি করবেন, সংসারের খরচ চালাবেন কিংবা সন্তানের লেখাপড়ার ব্যয় বহন করবেন—এতে আমার আপত্তি নেই। তবে বাগানের বৈধ কাগজপত্র দেখাতে হবে এবং বন বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় ফরম এনে জমা দিতে হবে। এরপর নিয়ম অনুযায়ী গাছ বিক্রি করতে পারবেন।’

সভা শেষে জোন কমান্ডার বলেন, বিলাইছড়ি সেনাজোন অতীতেও স্থানীয় জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিল, বর্তমানে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আগাম আভাস পেলে দ্রুত নিকটস্থ সেনাক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডারকে জানানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...