বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা জামায়াতের অফিস ও প্রচার সম্পাদক নুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ওলামা বিভাগের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাবিবুর রহমান, জামালগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ফখরুল আলম চৌধুরী ও জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়ন সভাপতি হাবিবুর রহমান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম বলেন, “আমরা আল্লাহর আইন, সৎ লোকের শাসন এবং ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।” তিনি সমাজ ও রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোয় নৈতিকতা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দিয়ে জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সার্বিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে কামাল হোসেনকে নির্বাচিত করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
হাওরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনপদ হিসেবে জামালগঞ্জ উপজেলার যোগাযোগ, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রধান দাবি। বিশেষ করে বর্ষাকালে যাতায়াত সংকট ও শুকনো মৌসুমে গ্রামীণ রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারণে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকারিতা ও সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মতবিনিময় সভায় বক্তারা সেই প্রসঙ্গ টেনে বলেন, দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে তৃণমূলের মানুষের অধিকার রক্ষা এবং নাগরিক সেবা প্রদানে একজন সৎ, যোগ্য ও নিবেদিতপ্রাণ চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা সময়ের দাবি। জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হলে স্থানীয় নেতৃত্ব নির্বাচনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলেও নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মনোনয়ন পাওয়ার পর উপস্থিত নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে প্রার্থী কামাল হোসেন বলেন, “আমি এই মাটির সন্তান; আপনাদেরই ভাই কিংবা ভাতিজা। বিগত জাতীয় নির্বাচনে আপনারা যেভাবে জামায়াতের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও সেভাবেই পাশে থাকবেন বলে বিশ্বাস করি।” তিনি সবার দোয়া ও সমর্থন কামনা করেন। এ সময় আলী নুর, আসাদসহ দলের স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের এই আগাম প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে জামালগঞ্জ উত্তরের নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়েছে এবং অন্যান্য দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের ঘিরেও স্থানীয় মহলে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...