Logo Logo

দুই সপ্তাহে তাড়াশে ৪০টি ছাগলের মৃত্যু


Splash Image

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ছাগলের ভাইরাসজনিত রোগ (পিপিআর) দেখা দিয়েছে। গত দুই সপ্তাহে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৪০টি ছাগলের মৃত্যু হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


পর্যাপ্ত টিকা ও ভেটেরিনারি চিকিৎসা সেবা না পাওয়ায় বর্তমানে মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে আরও শত শত ছাগল। প্রাণিসম্পদ দপ্তরে চাহিদার তুলনায় টিকার চরম সংকট থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারি ও ছাগল পালনকারীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তাড়াশের মহিষলুটি গ্রামের কৃষক মো. আব্দুল হোসেনের ৫টি, খুটিগাছা মহল্লার মো. হায়দার আলীর ১টি এবং একই এলাকার অপর হায়দার আলী সরকারের ১টিসহ বিভিন্ন এলাকায় গত দুই সপ্তাহে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ছাগল মারা গেছে।

আক্রান্ত ছাগলগুলোর প্রথমে সর্দি-কাশি ও প্রচণ্ড জ্বর দেখা দেয় এবং পরবর্তীতে মুখ দিয়ে লালা পড়তে পড়তে মারা যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, ছাগলগুলো নিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে গেলেও কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা মিলছে না। অনেক সময় হাসপাতালেও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার না পেয়ে হাতুড়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েও শেষ রক্ষা হচ্ছে না খামারিদের।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, তাড়াশের আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় পিপিআর টিকার মোট চাহিদা প্রায় ১ লাখ ৪ হাজার। অথচ এর বিপরীতে ভেটেরিনারি হাসপাতালে প্রতিষেধক মজুদ ছিল মাত্র ১৬ হাজার। বর্তমানে সেই মজুতও শেষ হয়ে গেছে।

ছাগল পালনকারীরা জানান, তাড়াশের গ্রামাঞ্চলে অনেক পরিবারে ছাগল পালন করে বাড়তি আয় করেন। রোগে ছাগল মারা যাওয়ায় এ সকল পরিবার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। তাই দ্রুত পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন সরবরাহের পাশাপাশি আক্রান্ত এলাকায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের নজরদারি ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শরিফুল ইসলাম জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে এবং এর ফলে কিছু ছাগল মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত টিকার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অতিরিক্ত চাহিদা পাঠানো হয়েছে। সরবরাহ পাওয়া গেলে দ্রুত টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...