Logo Logo

যশোর সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ চোরাচালানি মালামাল জব্দ


Splash Image

ভারত থেকে অবৈধ পথে আনা চোরাচালানি পণ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে ফের বড় ধরনের সাফল্য পেল বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যশোর সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, উন্নতমানের কম্বল ও কসমেটিক্সসহ বিভিন্ন চোরাচালানি মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি জওয়ানরা।


বিজ্ঞাপন


মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ২০২৬) যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর অধীনস্থ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট (আইসিপি) এবং আমড়াখালী চেকপোস্টের পৃথক দুটি চৌকস টহলদল এই সফল অভিযান পরিচালনা করে।

বিজিবি সূত্র জানায়, যশোর সীমান্ত রুট ব্যবহার করে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে একশ্রেণির চোরাকারবারি চক্র ভারতীয় পণ্য দেশের অভ্যন্তরে পাচারের পাঁয়তারা করছিল—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল আইসিপি ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ আমড়াখালী চেকপোস্টে নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়।

অভিযান চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের গতিবিধি লক্ষ্য করে তল্লাশি চালানো হলে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে বিজিবি সদস্যরা ফেলে যাওয়া অবৈধ মালামাল জব্দ করেন। উদ্ধারকৃত পণ্যের তালিকায় রয়েছে—৩৬টি আকর্ষণীয় ভারতীয় শাড়ি, ৮টি উন্নতমানের থ্রি-পিস, ৮টি শীতকালীন কম্বল, ২৪৬টি বিভিন্ন প্রকার প্রসাধন বা কসমেটিক্স সামগ্রী, ৭৫ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি, ২৪০টি চকলেট এবং ১ কেজি কিসমিস। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, জব্দকৃত এসব চোরাচালানি পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৪২ হাজার ৩২৫ টাকা।

সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর বার্তা দিয়ে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি জানান, "সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক ও চোরাচালানি সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বিজিবি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। চোরাকারবারিদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনতে বিজিবির বিশেষ কৌশলী পরিকল্পনা অনুযায়ী সার্বক্ষণিক কঠোর গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।"

তিনি আরও স্পষ্ট করেন, দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন যেকোনো অবৈধ বাণিজ্য রুখতে বিজিবি দিনরাত নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছে। জাতীয় অর্থনীতি রক্ষা ও সার্বভৌম সীমান্ত নিশ্ছিদ্র রাখতে বিজিবির এই ধরনের সাঁড়াশি আভিযানিক তৎপরতা ভবিষ্যতেও পূর্ণ শক্তিতে অব্যাহত থাকবে।

জব্দকৃত অবৈধ ভারতীয় মালামাল আইনানুগ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...