বিজ্ঞাপন
ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-৮-এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার সাথী আক্তারের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজাপুর উপজেলার বারাকপুর এলাকায় বিকাশ ব্যবসায়ী সুমন হোসেন মৃধার পথরোধ করে একদল দুর্বৃত্ত। এ সময় তাঁকে ধারালো রামদা ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে বিকাশের ৭ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় ১৮ অক্টোবর সুমন হোসেন মৃধা বাদী হয়ে রাজাপুর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ অক্টোবর রাতে এসআরবি-৮-এর একটি দল রাজাপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—রাজাপুর উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের নারিকেলবাড়িয়া এলাকার মো. গণী শরীফের ছেলে মো. আফজাল হোসেন (৫০), মো. মনজুরুল আলম মুন্নার ছেলে মো. লিটন হাওলাদার (৩০), মৃত ওয়াজেদ আলী হাওলাদারের ছেলে মো. আবুল কালাম (৩৮), সদর ইউনিয়নের বারবাকপুর এলাকার মো. আবুল খায়ের মৃধার ছেলে মো. চান মিয়া (২৯) এবং মো. মজিবর হাওলাদারের ছেলে মো. মামুন হাওলাদার (২৪)।
এসআরবি-৮-এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে লিটন হাওলাদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া টাকার ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫১ টাকা ও চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার পাঁচজনকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
রাজাপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফিরোজ কামাল বলেন, এসআরবির সহায়তায় এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর ২টার দিকে তাঁদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...