বিজ্ঞাপন
এ ঘটনায় তার আট বছর বয়সী ছেলেসহ প্রতিবেশী আরেক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) উপজেলার তাড়াশ সদর ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত আফরোজা খাতুন ওই গ্রামের শামীম হোসেনের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির হাঁস-মুরগি শিয়ালের হাত থেকে রক্ষা করতে বৃহস্পতিবার রাতে খোঁয়াড়ের দরজায় জিআই তারের মাধ্যমে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়ে রাখেন আফরোজা খাতুন। তার আট বছর বয়সী ছেলে খোঁয়াড়ের দরজা খুলতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়।
ছেলেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান মা আফরোজা খাতুন। এ সময় তিনি নিজেও বিদ্যুতায়িত হন। পরে তাদের উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে প্রতিবেশী আরেক শিশুও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। এতে তিনজনই গুরুতর আহত হন।
একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করেন। পরে তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই আফরোজা খাতুনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত দুই শিশুকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় কলেজ শিক্ষক মো. দুলাল হোসেন জানান, বৈদ্যুতিক সংযোগে জড়িয়ে মা ও দুই শিশু হতাহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ ধরনের অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক ফাঁদ মানুষের প্রাণহানির কারণ হতে পারে। তাই হাঁস-মুরগি বা গবাদিপশু রক্ষায় এ ধরনের ফাঁদ ব্যবহার না করে নিরাপদ বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...