বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টায় শাহ বন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম কামরুল ইসলাম ও ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু, বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান হারেজ, জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, শেরপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জানে আলম খোকা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর উপজেলা শাখার আমির মাওলানা দবিবুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল হাই সিদ্দিকি হেলাল, ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা কাওছার আলীসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, শাহ বন্দেগী ইউনিয়ন ইতোমধ্যে শেরপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তবে অপরিকল্পিতভাবে চাতাল ও ঘরবাড়ি নির্মাণের ফলে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিকল্পিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
তারা আরও বলেন, এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করা হলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে শাহ বন্দেগী ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, ২০০৬ সালে শাহ বন্দেগী ইউনিয়ন গেজেটভুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে ইউনিয়ন পরিষদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হলে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
পরে ২০২১ সালে হাওয়াখানা এলাকায় একটি অস্থায়ী কার্যালয় থেকে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনাকালে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের উদ্যোগে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ইউনিয়ন পরিষদের জন্য ২৬ শতাংশ জমি কেনা হয়। সেই জমিতেই নির্মাণ করা হয়েছে নতুন অস্থায়ী কার্যালয়। ইউনিয়ন পরিষদের স্থায়ী ভবন নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকেই পরিষদের প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
দীর্ঘদিন পর নিজস্ব জমিতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনায় নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে অস্থায়ী কার্যালয় উদ্বোধনের পর এখন এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত সরকারি উদ্যোগে একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণ করা হবে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের সেবামূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের সব ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুস সাত্তার।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...