বিজ্ঞাপন
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকালে রাজধানী ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফিরোজ ওই বাড়ির কাশেম আলীর ছেলে। তিনি কালমা ইউনিয়ন (উত্তর) যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ফিরোজ একই বাড়ির কাজলের ঘরের পাশে তার নিজস্ব জমিতে শিমগাছ রোপণ করে সেখানে বাঁশের ঝোপ দেন। শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের পর ওই ঝোপ কাজলের স্ত্রী জান্নাত কেটে ফেলেন। নামাজ পড়ে ফিরোজ তা দেখতে পেয়ে তাকে বাধা দিলে দু'জনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
এক পর্যায়ে জান্নাতের স্বামী কাজল ঘটনাস্থলে গিয়ে ফিরোজকে দা দিয়ে এলোপতাড়ি কোপাতে শুরু করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজকে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে ফিরোজের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে ফিরোজের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা তাকে ঢাকায় নিয়ে যান।
শনিবার বিকেলে ঢাকার সুপারম্যাক্স হেলথ্ কেয়ার লিমিটেড নামে ওই বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার এসআই মো. নূরুল আমিন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কাজলকে আটক করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...