Logo Logo

জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অভিযান

গোপালগঞ্জে দখলমুক্ত হলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি


Splash Image

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ডুমদিয়া মৌজায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) অধিগ্রহণকৃত জমিতে অবৈধভাবে বালু ও মাটি ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা পণ্ড করে দিয়েছে প্রশাসন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সরাসরি নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে সরকারি এই মূল্যবান জমি দখলমুক্ত করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ডুমদিয়া মৌজার জে.এল নং–৪০-এর অন্তর্ভুক্ত এস.এ দাগ নং–৯২৪ এবং হাল/বিআরএস দাগভুক্ত জমিতে নিয়মবহির্ভূতভাবে বাঁধের কিনারায় বালু ও মাটি ভরাট করা হচ্ছিল। সরকারি সম্পত্তি বেদখলের এই প্রচেষ্টা বন্ধ করতে আগেই চারজন ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল।

নোটিশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন—হরিদাসপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার মোঃ নাজমুল শেখ, মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ মাসুদ শেখ এবং বারাইল (ডুমদিয়া) গ্রামের মোঃ মনির মুন্সী। তাদের বিরুদ্ধে আইনত অবৈধ কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা তা অমান্য করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

প্রশাসন জানিয়েছে, এই ধরনের কার্যক্রম ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন–২০২৩, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন এবং বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও মালামাল অপসারণ না করায় শেষ পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এরই প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের যৌথ বাহিনী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অবৈধভাবে দখলকৃত জমি থেকে বালু-মাটি ও নির্মাণাধীন স্থাপনার সকল সরঞ্জাম সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জানিয়েছে যে, সরকারি জলাধার, বাঁধ ও নদী রক্ষা প্রকল্পের জমিতে কোনো ধরনের অবৈধ দখল বা ভরাট কার্যক্রম বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রশাসনের এই তড়িৎ ও কঠোর পদক্ষেপকে স্থানীয় এলাকাবাসী সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা সরকারি সম্পত্তি ও বাঁধ সুরক্ষায় এই ধরনের নিয়মিত নজরদারি এবং অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...