বিজ্ঞাপন
পর্যটকের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন পর্যটন নির্ভর ক্ষুদ্র ও বৃহৎ ব্যবসায়ীরা। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও অন্যান্য সেবা খাতের উদ্যোক্তারা প্রত্যাশিত অতিথি না পেয়ে আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছেন। সৈকতের বেঞ্চি ব্যবসায়ী মো. ইয়াসিন জানান, নির্বাচনের কারণে গত দুই সপ্তাহ ধরে পর্যটক নেই বললেই চলে, এর ওপর সামনে চলে এসেছে রমজান মাস। ফলে ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়ে তারা শঙ্কিত।
হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মোতালেব শরীফ বলেন, নির্বাচনের কারণে বর্তমানে পর্যটক নেই। সামনে রমজান শুরু হলে পর্যটকের সংখ্যা আরও কমে যাবে। ফলে এই মৌসুমে ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের লোকসানের সম্মুখীন হতে যাচ্ছেন।
সৈকতে পর্যটকের সংখ্যা হাতেগোনা হলেও যারা এসেছেন, তারা ভিন্ন এক শান্ত পরিবেশ উপভোগ করছেন। ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি শামীম ও রুবিনা জানান, নির্বাচনে ভোট দিয়েই তারা ভালোবাসা দিবস উদযাপনে কুয়াকাটায় এসেছেন। ভিড় না থাকায় তারা নিরিবিলি সময় কাটাতে পারছেন। অনেক পর্যটককে সমুদ্রের নোনা জলে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে থাকতে এবং সৈকতে খালি পায়ে হেঁটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেখা গেছে।
কুয়াকাটা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসিন সাদেক জানান, বর্তমানে পর্যটক উপস্থিতি নেই বললেই চলে। তবে পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সেবায় পৌর প্রশাসন, টুরিস্ট পুলিশ ও মহিপুর থানা পুলিশ সার্বক্ষণিক নিয়োজিত আছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে টুরিস্ট পুলিশ সৈকত এলাকায় কঠোর নজরদারি ও তৎপরতা বজায় রেখেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...