বিজ্ঞাপন
হোয়াইট হাউজ সূত্রে জানা গেছে, ইরানের ওপর আরোপিত এই নৌ অবরোধ কয়েক মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতে, সরাসরি সামরিক হামলার তুলনায় নৌ অবরোধ অধিক কার্যকর কৌশল। তার দাবি, এই পদক্ষেপের ফলে ইরানের অর্থনীতি এবং অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ইতোমধ্যে চাপে পড়েছে এবং দেশটি ‘হাঁসফাঁস’ অবস্থায় রয়েছে। প্রয়োজনে এই অবরোধ আরও দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ রুট হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক অবস্থায় দ্রুত ফিরে আসার সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন প্রশাসন অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিকল্প পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে বলেও জানা গেছে।
এদিকে, অবরোধ অব্যাহত থাকলে ‘কড়া জবাব’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। ইরান সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনো ধরনের কূটনৈতিক আলোচনায় বসার আগে তাদের ওপর আরোপিত সব অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে।
অন্যদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে, তবে তার পরিণতি বৈশ্বিক পরিসরে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার এবং অর্থনীতির ওপরও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়।
সূত্র: বিবিসি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...