বিজ্ঞাপন
নিহত ইসমাইল হোসেন পিন্টু ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার গুতমা গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পিন্টু নিজের নিজ গ্রাম ও এলাকার মানুষের কাছ থেকে ঋণ এবং বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেন। পাওনাদারদের হাত থেকে নিজেকে আড়াল করতে ও গ্রেফতার এড়াতে গত ১৫ জুন সেনবাগ পূর্ব বাজার এলাকায় সামছু মিয়ার একটি বাসা ভাড়া নেন। এর দুই দিন পর অর্থাৎ ১৭ জুন থেকে তিনি ওই বাসায় একাই বসবাস শুরু করেন। বাসা ভাড়ার সময় মালিক তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র চাইলে 'পরে দেবেন' বলে আর জমা দেননি।
বাসার মালিক জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে পিন্টু বাসার পাশের একটি হোটেল থেকে দুপুরের খাবার খেয়ে নিজের কক্ষে ফিরে যান। পরবর্তীতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাসার মালিক ঘরের মূল দরজা খোলা দেখতে পেয়ে ভেতরে ঢোকেন এবং তাকে ডাকাডাকি করেন। বিছানায় কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন পিন্টু অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। তাৎক্ষণিক থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে স্ট্রোক করে ওই যুবকের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, "খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...