বিজ্ঞাপন
উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ফলাফল পর্যালোচনায় সর্বোচ্চ পাসের হার ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন পাসের হার শূন্য শতাংশ।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বকশীগঞ্জ উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৯৮ দশমিক ৩১ শতাংশ পাসের হার নিয়ে উপজেলায় শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফারাজী পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, পাসের হার ৭৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। তৃতীয় জাগিরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়, ৭০ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং চতুর্থ বকশীগঞ্জ খয়ের উদ্দিন আলিম মাদ্রাসা, ৬৮ দশমিক ০৯ শতাংশ।
এছাড়া চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ, নীলাখিয়া আর.জে. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৬০ দশমিক ৪৭ শতাংশ, বকশীগঞ্জ নূর মুহাম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ, গোপালপুর কো-অপারেটিভ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৯ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং ঘাসিরপাড়া রোকেয়া বেগম উচ্চ বিদ্যালয় ৫৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পাসের হার অর্জন করেছে।
৫০ শতাংশের বেশি পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—জানকীপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ৫২ শতাংশ, বগারচর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৫৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, আইরমারী আয়মনা মাদবর উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং হালিমা সুরুজ উচ্চ বিদ্যালয় ৫১ দশমিক ২২ শতাংশ। হাছিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের পাসের হার ৫০ শতাংশ।
অন্যদিকে, ৫০ শতাংশের নিচে পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মালিরচর জিগাতলা মাহবুবা ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয় ৪৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, আলীরপাড়া এম ইউ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৮২ শতাংশ, কামালের বার্ত্তী বাঙ্গালপাড়া মডেল সেসিপ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ৭০ শতাংশ, বাট্টাজোড় নগর মামুদ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ, টুপকারচর কাঠালতলী দাখিল মাদ্রাসা ৪০ দশমিক ৫৪ শতাংশ, গোয়ালগাঁও পূর্বপাড়া জয়মনা ইছিমদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ৩৯ দশমিক ৫৩ শতাংশ এবং বাট্টাজোড় কে আর আই ফাজিল মাদ্রাসা ৩৮ দশমিক ৪৬ শতাংশ।
এছাড়া সাধুরপাড়া নজরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৬ দশমিক ২৩ শতাংশ, পূর্ব বাঙ্গালপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ, চরকাউরিয়া খামারপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩৪ দশমিক ৭২ শতাংশ, কলকিহারা বাঘাডুবি দাখিল মাদ্রাসায় ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং খেওয়ারচর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ দশমিক ৩৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।
আরও কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে টাঙ্গারীপাড়া আয়েশা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা ২৮ দশমিক ১৩ শতাংশ, মেরুরচর হাছেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় ২৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ, ভাটি খেওয়ার চর উচ্চ বিদ্যালয় ২৩ দশমিক ০৮ শতাংশ, লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয় ১৯ দশমিক ০৫ শতাংশ এবং বকশীগঞ্জ কহিনুর আইডিয়াল মহিলা দাখিল মাদ্রাসা ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
তবে সবচেয়ে হতাশাজনক ফলাফল হয়েছে শেফালী মফিজ মহিলা আলিম মাদ্রাসায়। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার শূন্য শতাংশ।
ফলাফলে দেখা যায়, একই উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পাসের হারে রয়েছে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান। একদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ৭০ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পাসের হার অর্জন করেছে, অন্যদিকে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার ২০ শতাংশের নিচে এবং একটি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি।
শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টদের মতে, যেসব প্রতিষ্ঠানে ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা চিহ্নিত করা এবং শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...