বিজ্ঞাপন
উপজেলায় পাশের হার ৩২.৭৩ শতাংশ এবং একজন জিপিএ ৫ পেয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার এইবারে এসএসসি'র ফলাফলে বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ২৫.২৭ শতাংশ এবং ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৪৬. ৮৮ শতাংশ। যার গড় পাশের হার ৩২.৭৩ শতাংশ। এবং বিলাইছড়ি সরকারি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তানজিলা আহাম্মদ বৃষ্টি নামের এক ছাত্রী জিপিএ -৫ পেয়েছে।
অফিস সূত্রে আরও জানা যায়, বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৮২ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মাত্র ৪৬ জন পাশ করেছে এবং ১৩৬ জন অকৃতকার্য হয়েছে। ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯৬ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন পাশ করেছে এবং ৫১ জন অকৃতকার্য হয়েছে। এদিকে উপজেলায় এসএসসি ফলাফল বিপর্যয়ে অভিভাবকসহ সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এছাড়া ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অধীনে বিলাইছড়ি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মোট ১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। যার মধ্যে নিয়মিত ১৩ জন এবং অনিয়মিত ৪ জন পরীক্ষার্থী ছিল। তাদের মধ্যে পাশ করেছে মোট ১৩ জন। যার মধ্যে নিয়মিত ১১ জন এবং অনিয়মিত ২ জন। বিদ্যালয়টির গড় পাশের হার ৭৬. ৪৭ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, গতবছর উপজেলার পাশের হার ছিলো ৫০ শতাংশ। যার মধ্যে বিলাইছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৪৭.৪৪ শতাংশ এবং ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালযের পাশের হার ছিলো ৫৬.৬৩ শতাংশ। ফারুয়া উচ্চ বিদ্যালয়টি দূর্গম এলাকায় হলেও কয়েক বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী বরাবরের মতই উপজেলার একমাত্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়টিকে পিছনে ফেলে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। তবে এই বিদ্যালয়টির ফলাফলও বছর বছর কমে যাচ্ছে। গতবছরের চাইতে তাদেরও এবারের ফলাফল আশানুরুপ অনেক খারাপ হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...