বিজ্ঞাপন
নিয়োগ জট নিরসন ও দ্রুত নিয়োগপত্র প্রদানের দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (মিরপুর, ঢাকা) বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করেন প্রার্থীরা। নীলফামারীর চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী মো. নুরুদ্দীনসহ অন্যান্য বঞ্চিত প্রার্থী ওই আবেদনে স্বাক্ষর করেন।
আবেদনপত্র ও মানববন্ধনে প্রার্থীরা অভিযোগ করেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিয়োগপত্র আটকে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে লিখিতভাবে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, নেতিবাচক ভেরিফিকেশন তথ্য বা অযোগ্যতার কারণও প্রকাশ করা হয়নি। এতে তারা চরম মানসিক যন্ত্রণা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
বঞ্চিত প্রার্থীরা চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র না দেওয়ার কারণ লিখিতভাবে স্পষ্ট করার দাবি জানান। একই সঙ্গে পুলিশ ভেরিফিকেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড ভেরিফিকেশন বা এনএসআই (NSI) প্রতিবেদনে কোনো নেতিবাচক মন্তব্য থাকলে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো, অযোগ্যতার পেছনে কোনো প্রশাসনিক নীতি, আইন বা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত থাকলে তা অবহিত করা এবং একই প্রক্রিয়ায় অন্য প্রার্থীরা নিয়োগপত্র পেলেও তাদের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হওয়ার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানান তারা।
এ ছাড়া আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র দাখিলের জন্য সময় দেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা।
জানা গেছে, নীলফামারী জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে মোট ১৬১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শেষে তাদের মধ্যে বাকিরা নিয়োগপত্র পেলেও ৫২ জন প্রার্থী নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন।
এ বিষয়ে নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, আবেদনটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সকলকেই নিয়োগ দেওয়া হবে।
চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা আশা করছেন, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র প্রদান করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...