বিজ্ঞাপন
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে সিঙ্গাপুরের রক্ষণভাগে আক্রমণ সানানোর চেষ্টা চালায় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটে উইঙ্গার রাকিব হোসেন ও মিডফিল্ডার সুকি ইতুফুসার সমন্বয়ে বেশ কয়েকটি আক্রমণ তৈরি হলেও ফাইনাল থার্ডে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল পাওয়া যায়নি। এর মাঝে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন বাংলাদেশের শামিত সোম। অপরদিকে রক্ষণ সামলে প্রতি-আক্রমণে গিয়ে ১৬ মিনিটে ব্যাক-টু-ব্যাক দুটি কর্নার আদায় করে সিঙ্গাপুর। তবে সিঙ্গাপুরের তারকা ফরোয়ার্ড ইলহান ফান্দির হেড ও পরবর্তীতে ৩৩ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া ফ্রি-কিক দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। বিপদমুক্ত করেন ডিফেন্ডার তারিক কাজী।
তবে বাংলাদেশ শিবিরের এই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ম্যাচের ৩৫তম মিনিটে বাম দিক থেকে আবদুল্লাহ নূরের চমৎকার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান সিঙ্গাপুরের ফরোয়ার্ড স্টেয়ার্ট। গোলরক্ষক শ্রাবণ ঝাঁপিয়েও বলের নাগাল পাননি। পিছিয়ে পড়ার ঠিক দুই মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারত; সিঙ্গাপুরের নেওয়া একটি জোরালো শট পোস্টের ক্রসবারে লেগে ফিরে এলে বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও প্রতিপক্ষের গোলপোস্টে একটি শটও অন-টার্গেটে রাখতে পারেনি লাল-সবুজের আক্রমণভাগ, যেখানে সিঙ্গাপুরের ৫টি শটের ৪টিই ছিল লক্ষ্যে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে আক্রমণের ধার বাড়ায় বাংলাদেশ দল। মধ্যমাঠ থেকে একাধিক সুযোগ তৈরি করা হলেও সিঙ্গাপুরের জমাট রক্ষণে গিয়ে সব প্রচেষ্টা থমকে যায়। রেফারির শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত বেশ কয়েকটি কর্নার ও আক্রমণ সত্ত্বেও কাঙ্ক্ষিত সমতাসূচক গোলটি আদায় করতে পারেনি ডুলির দল। সিঙ্গাপুরও দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান আর বাড়াতে না পারলে ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে তারা।
টানা দুই পরাজয়ে ২ ম্যাচ শেষে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। সমান ১ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়া। আর দুই ও তিন নম্বরে অবস্থান করছে ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুর। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ সম্মান রক্ষার ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...