বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মুকসুদপুর উপজেলার লখাইরচর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মিন্টু ও তাঁর ভাই দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব প্রবাসী। তাঁদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী আনিছ মুন্সী ও রুবেল মুন্সী তাঁদের পৈতৃক জমির একটি অংশ দখল করে রাতের আঁধারে সেখানে ইটের রাস্তা নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
জমি নিয়ে বিরোধের পর স্থানীয়ভাবে একাধিকবার জমি মাপ দেওয়া হয়। এতে আনিছ মুন্সী ও রুবেল মুন্সীর বাড়ির ভেতরে মিন্টুর প্রায় ৮ থেকে ১০ ফুট জমি রয়েছে বলে নির্ধারণ করা হয়। পরে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে ওই অংশের স্থাপনা সরিয়ে জমি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে অভিযুক্তরা ওই জমি ফেরত দেননি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে মুকসুদপুর থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ জমি নিয়ে বিরোধটি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নিতে বলে। এরপর স্থানীয়ভাবে সালিশ অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে গত ১৩ জুলাই রাতে অন্ধকারে মিন্টুর পৈতৃক জমির ওপর দিয়ে আনিছ ও রুবেল ইটের রাস্তা নির্মাণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে অভিযোগপত্রে দাবি করেছেন মোহাম্মদ মিন্টু।
জমি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাঁর জমি দখল বা তাঁকে হয়রানি না করার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রবাসী মিন্টু।
ভুক্তভোগী মোহাম্মদ মিন্টুর মা বিলকিস বেগম অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় এমপির নাম ভাঙিয়ে রাতের আঁধারে তাঁদের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এ কাজে ওই গ্রামের অলিয়ার মুন্সী, ইবাদ মুন্সী, সাহিদুল মাতুব্বর, তৈয়ব মুন্সী, মিনাল মাতুব্বর ও রুহুল আমিনের সহযোগিতায় রুবেল মুন্সী ও আনিছ মুন্সী জড়িত বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বিলকিস বেগম আরও বলেন, বিষয়টি এমপি সাহেব জানেন না। তাঁর নাম ব্যবহার করে অন্যরা এ কাজ করেছেন।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, রাতের আঁধারে জমি দখলের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে আনিছ মুন্সী ও রুবেল মুন্সীর বাড়িতে গিয়ে তাঁদের পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...