বিজ্ঞাপন
গতকাল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রাম থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাকিব ইসলাম টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর দক্ষিণ পাড়া এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক মাস আগে ঢাকায় রাকিব ইসলামের সঙ্গে ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মামুনের পরিচয় হয়। পরবর্তীতে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হলে রাকিবকে হত্যা করেন মামুন। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে এবং মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে কার্টুনে মুড়িয়ে রাকিবের মরদেহ নিজের গ্রামের বাড়ি ডিমলার বালাপাড়ায় নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে অভিযুক্ত মামুন পুনরায় ঢাকায় ফিরে যান।
ঢাকায় ফিরে গিয়ে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) দিয়ে তৈরি ভিডিও ব্যবহার করে রাকিবের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করেন মামুন এবং কিছু টাকা হাতিয়ে নেন। তবে টাকা দেওয়ার পরও রাকিবকে ফেরত না পাওয়ায় তার পরিবারের লোকজন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে অভিযুক্ত মামুনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামুন ডিমলায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। পরে ঢাকা থেকে আসা পুলিশের একটি দল ডিমলা থানা পুলিশের সহায়তায় মামুনের দেখানো স্থান থেকে মাটি খুঁড়ে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম জানান, মামুন ওই যুবককে হত্যা করে কার্টুনে মুড়িয়ে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে নিজের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে এবং মাটির নিচে পুঁতে রাখে। পরবর্তীতে মামুনের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ডিমলায় এসে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্ত শেষে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...