বিজ্ঞাপন
মাধব চন্দ্র দত্তের সভাপতিত্বে এবং রূপান্তরের প্রোগ্রাম অফিসার দীপঙ্কর মন্ডলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন রূপান্তরের প্রকল্প সমন্বয়কারী রবিউল ইসলাম, রাইটস যশোরের প্রোগ্রাম অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়কারী এসকে আশরাফ, সিডিও-র শ্যামল কুমার বিশ্বাস, প্রেরণার নাসরিন সুলতানা, অগ্রগতি সংস্থার মো. জিয়াউর রহমান, আরার শেখ আবুল কালাম আজাদ, সিডাব্লিউসিএস-এর আরিফুর রহমান খান, ক্রিসেন্টের মো. হাসান আহম্মেদ এবং সক্রিয় কর্মী শরিফুল ইসলাম ও মো. মোকাররম জিন্নাহ সহ আরও অনেকে ও সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, “সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মানব পাচারের প্রবণতা রোধে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং স্থানীয় সচেতন কর্মীদের মধ্যে জোরালো সমন্বয় বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। পাচারের শিকার সারভাইভারদের সঠিক পুনর্বাসন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে রেফারেল সিস্টেম কার্যকর করা এবং সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নই পারে মানব পাচার মুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে।”
সভায় অংশগ্রণকারীরা ‘আশ্বাস’ প্রকল্প, যশোর ও সাতক্ষীরা অঞ্চলের মানব পাচারের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রবণতা, সীমান্ত এলাকায় মানব পাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান উদ্যোগ ও চ্যালেঞ্জ, এবং এনআরএম (NRM) অনুযায়ী সেবা ও রেফারেল সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া খুলনা জেলা কাউন্টার ট্রাফিকিং নেটওয়ার্ক, মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটি, সক্রিয় কর্মী দল, সারভাইভারস লিডার ও সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের মধ্যকার পারস্পরিক সংযোগের উপকারিতা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে দলগত আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের স্থায়িত্ব টেকসই পরিকল্পনা ও চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়।
উল্লেখ্য, সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় ‘আশ্বাস’ প্রকল্পের অধীনে রূপান্তর বর্তমানে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও ঝিনাইদহ জেলায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও সারভাইভারদের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...