নুরুল হক নুরের ওপর হামলার পর ডিএমপির জরুরি বৈঠক
বিজ্ঞাপন
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। সমালোচনার মুখে শনিবার (৩০ আগস্ট) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, “বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় জরুরি বৈঠক চলছে। সিভিলে থাকা যিনি ছাত্রনেতা সম্রাটকে মারধর করেছিলেন, তাকে আটক করা হয়েছে কিনা বা তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছে কিনা—এখনই তা বলা সম্ভব নয়। তবে আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।”
ঘটনার সময় একটি ভিডিওতে দেখা যায়, লাল পোলো-শার্ট পরিহিত এক ব্যক্তি ছাত্রনেতা সম্রাটকে এলোপাথাড়ি লাঠিপেটা করছেন। তিনি নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে দাবি করলেও এখনো পর্যন্ত তার নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি ডিএমপি।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে গণ অধিকার পরিষদ। এসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলায় গুরুতর আহত হন সংগঠনের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন। প্রথমে তাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, হামলায় নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, চোখের ওপর আঘাত রয়েছে এবং মাথায় সামান্য রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাকে জরুরি বিভাগ থেকে ওসেক ইউনিটে রাখা হয় এবং পরে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
তিনি আরও বলেন, নুরের চিকিৎসার জন্য পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি স্থিতিশীল আছেন, তবে আগামী ৪৮ ঘণ্টা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। মস্তিষ্কে যে রক্তক্ষরণ হয়েছে তা ওষুধে সেরে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...