বিজ্ঞাপন
সরকারের উন্নয়ন প্রকল্প ‘সাসেক-২’-এর আওতায় অবকাঠামোগত পরিবর্তনের অংশ হিসেবে এই ইউটার্ন ও প্রবেশপথ বন্ধের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথ বন্ধের আগে কোনো যথাযথ সমীক্ষা বা বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়নি। বিশেষ করে মহাসড়ক সংলগ্ন মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতে এর ফলে চরম ঝুঁকি ও ভোগান্তি তৈরি হবে।
মেসার্স নাবিল ফিলিং স্টেশনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট সড়ক ও জনপদ বিভাগের সকল নীতিমালা অনুসরণ করে প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে। বর্তমানে এখানে প্রায় পাঁচ শতাধিক শ্রমিক কর্মরত। যদি প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তবে এই বিশাল সংখ্যক মানুষের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে। এছাড়া ২৪ ঘণ্টা জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হলে মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সোলাইমান, আকবর ও রবিউল ইসলাম বলেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে যদি সাধারণ মানুষের চলাচল এবং ধর্মীয় কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়, তবে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তারা জানান, এই পথ বন্ধ হলে মুসল্লিদের দীর্ঘ পথ ঘুরে মসজিদে আসতে হবে, যা বয়স্কদের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ।
জানা গেছে, বর্তমান ইউটার্ন ও প্রবেশপথ বহাল রাখার অনুরোধ জানিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি সাসেক-২ প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার-৩ বরাবর একটি লিখিত আবেদন দাখিল করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ী সমাজ আশা করছেন, উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রমের পাশাপাশি জনস্বার্থ ও মানুষের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করে কর্তৃপক্ষ এই আত্মঘাতী প্রস্তাব থেকে সরে আসবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...