বিজ্ঞাপন
বক্তব্যে তিনি স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে জানান, আগামী তিন মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হবে। বিশেষ করে সরকারি হাসপাতাল ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, জরুরি চিকিৎসা সুবিধা সহজলভ্য করা এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোকে তিনি প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
গোপালগঞ্জ-২ আসনের জনগণের প্রতি সরাসরি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে ডা. বাবর বলেন, “প্রতিটি মানুষের খোঁজখবর আমি নিজে রাখব। কেউ যদি রাত তিনটায়ও আমাকে ফোন দেয়—আমি সাড়া দেব। জনগণের পাশে থাকা শুধু রাজনৈতিক দায়িত্ব নয়, এটা আমার নৈতিক অঙ্গীকার।”
তার এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া দেখা যায়। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপি-র সভাপতি লেলিন সিকদার এবং সাবেক ছাত্রদলের সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জিয়াউল কবির বিপ্লবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে অংশ নেওয়া অনেকেই মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত স্বাস্থ্য খাতে ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত হলে গোপালগঞ্জবাসীর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। সমাবেশ শেষে দলীয় নেতারা জানান, গোপালগঞ্জে উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে—যেখানে স্বাস্থ্য, সেবা ও জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণই হবে মূল চালিকাশক্তি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...