বিজ্ঞাপন
সবশেষ ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অধ্যক্ষ ইউনুস খান বাকেরগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে তার মৃত্যুর পর এই আসন থেকে আর কোনো রাজনৈতিক নেতার ভাগ্যে মন্ত্রিত্বের চেয়ার জোটেনি। ফলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে বাকেরগঞ্জ ক্রমেই অবহেলিত জনপদে পরিণত হচ্ছে।
দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত ৪১১.৩৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই উপজেলায় বর্তমানে ৩ লক্ষ ১৫ হাজার ৫৯৭ জন ভোটার রয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এখানকার সাধারণ ভোটারদের প্রত্যাশা ছিল, তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধি এবার মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাবেন। কিন্তু দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও সেই আশার প্রতিফলন না ঘটায় এলাকাবাসী হতাশ।
উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামে বাকেরগঞ্জ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধী আন্দোলনসহ গণতান্ত্রিক সকল সংগ্রামে তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। একজন বুদ্ধিদীপ্ত, সাহসী এবং ত্যাগী রাজনীতিবিদ হিসেবে তাকে ঘিরে বাকেরগঞ্জবাসীর প্রত্যাশা অনেক বেশি।
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খানকে ত্রয়োদশ সংসদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি ছিল স্থানীয় জনগণের। বাকেরগঞ্জের সার্বিক উন্নয়ন, টেকসই অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য একজন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রতিবেদক- মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বরিশাল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...