বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৫ মিনিটে গাজীপুরের শ্রীপুর থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১০ ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। শ্রীপুর থানাধীন আনসার রোড এলাকায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘেরাও দিয়ে মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন র্যাব সদস্যরা।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত মোস্তফা কামাল ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি দায়ের করা একটি হত্যা মামলার (মামলা নম্বর-০২, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড) প্রধান আসামি। আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। এছাড়া তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
র্যাব জানায়, সাজা ঘোষণার পর থেকেই মোস্তফা কামাল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি স্বীকার করেছে যে, গ্রেফতার এড়াতে সে নিয়মিত অবস্থান পরিবর্তন করে আসছিল।
গ্রেফতারের পর আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মধুখালী থানার এই হত্যা মামলার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই গ্রেফতারের ফলে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...