বিজ্ঞাপন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে মাত্র একটিতে জয় পাওয়ায় এবং বাকি তিনটিতে বিএনপির ভরাডুবিতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা বিরাজ করছে। বিশেষ করে ঝিনাইদহ-২ আসনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের পর দলকে আবারও সুসংগঠিত করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সংরক্ষিত নারী আসনে মরহুম মসিউর রহমানের সহধর্মিণী, আয়কর আইনজীবী মাহাবুবা রহমান শিখাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছেন জেলার সচেতন মহল ও দলীয় নেতাকর্মীরা।
মাহাবুবা রহমান শিখা মসিউর রহমানের রাজনৈতিক সংগ্রামের দীর্ঘদিনের সঙ্গী। ওয়ান ইলেভেন ও বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে যখন মসিউর রহমান হামলা-মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ করেন, তখন তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে দলের হাল ধরেন। পরিবারের ওপর সীমাহীন দমন-পীড়ন এবং দুই ছেলে ডা. ইব্রাহীম রহমান বাবু ও শোয়াইব রহমান বাপ্পির নামে একাধিক মিথ্যা রাজনৈতিক মামলা সত্ত্বেও তিনি দলের প্রতি অবিচল থেকেছেন।
পেশাগত ও সামাজিক অঙ্গনে মাহাবুবা রহমান শিখার রয়েছে ব্যাপক অভিজ্ঞতা। তিনি মুক্তিযোদ্ধা মসিউর রহমান মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান, জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ডায়াবেটিক সমিতির গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
স্থানীয়দের মতে, ঝিনাইদহের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নে মসিউর রহমানের যে অবদান, তার প্রতিটি কাজের সাথে মাহাবুবা রহমান শিখা নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন। সংরক্ষিত নারী আসনে তাকে মনোনয়ন দিলে ঝিনাইদহে বিএনপির রাজনৈতিক পুনরুত্থান এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার সহজ হবে। তিনি সংসদ সদস্য হলে স্থানীয় নেতৃত্বের দুর্বলতা কাটিয়ে দলকে আবারও আগের মতো শক্তিশালী অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
ঝিনাইদহের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন, হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে মাহাবুবা রহমান শিখার মতো পরীক্ষিত নেতৃত্বের বিকল্প নেই। সংরক্ষিত নারী আসনে তার অন্তর্ভুক্তি কেবল দলকে চাঙ্গা করবে না, বরং জেলার সার্বিক উন্নয়নেও এক মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...