বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরপরই মেলার দ্বার সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন এবং প্রকাশকদের সঙ্গে কথা বলেন।
মেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকলেও ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীরা সকাল ১১টা থেকেই মেলায় প্রবেশ করতে পারবেন। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতি রাতে সাড়ে ৮টার পর মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ বন্ধ রাখা হবে।
এবারের বইমেলায় মোট ৫৪৯টি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি প্রতিষ্ঠানকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে মেলায় মোট ১ হাজার ১৮টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা পাঠকদের বৈচিত্র্যময় বইয়ের সমাহার উপহার দেবে।
বইমেলাকে ঘিরে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। মেলা প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
ভাষার মাসে বইয়ের এই মিলনমেলা লেখক, পাঠক ও প্রকাশকদের মাঝে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...