বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহানারা বেগমের স্বামী বা সন্তান নেই। দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জায়গায় একটি ছোট ঘর তুলে একা বসবাস করছিলেন তিনি। ওই কুঁড়েঘরটিই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র অবলম্বন। শুক্রবার বিকেলে হঠাৎ ঘরটিতে আগুনের সূত্রপাত হলে মুহূর্তের মধ্যে তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। গ্রামবাসী দ্রুত এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, সামান্য কিছু কাপড় এবং অতি কষ্টে জমানো যৎসামান্য সঞ্চয়ও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় জাহানারা বেগম বাড়ির বাইরে ছিলেন। ফিরে এসে নিজের শেষ সম্বলটুকু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে বৃদ্ধা জাহানারা বলেন, “আমার স্বামী নাই, সন্তান নাই। এই ঘরটুকুই ছিল আমার শেষ সম্বল। এখন আমি কোথায় থাকবো, কোথায় ঘুমাবো? আমার আর কিছুই রইল না।”
চতুল গ্রামের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম জানান, জাহানারা বেগমের আপন বলতে কেউ নেই। অন্যের দয়া ও সহায়তায় তাঁর জীবন চলত। আগুন তাঁর সেই সামান্য আশ্রয়টুকুও কেড়ে নিয়েছে। বর্তমানে এই বৃদ্ধা খোলা আকাশের নিচে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সচেতন মহল জেলা প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি অসহায় এই বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ানোর জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও মানবিক সহযোগিতা না পেলে এই বয়সে তাঁর পক্ষে নতুন করে মাথা গোঁজার ঠাঁই তৈরি করা অসম্ভব বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...