বিজ্ঞাপন
প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলা এই কর্মকাণ্ডে একদিকে যেমন গ্রামীণ রাস্তাঘাট ধ্বংস হচ্ছে, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যও পড়েছে মারাত্মক ঝুঁকিতে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, প্রতিদিন সন্ধ্যা নামার পর রাত ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে শুরু হয় মাটি কাটার এই অবৈধ কর্মযজ্ঞ। গভীর রাত পর্যন্ত ভেকু (এক্সকাভেটর) ও ড্রাম ট্রাকের বিকট শব্দে এলাকাবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর রাতের এই শব্দদূষণে বয়স্করা অসুস্থ হয়ে পড়ছেন এবং শিশুদের ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। এছাড়া মাটিবাহী ট্রাক চলাচলের সময় উড়ন্ত ধুলোবালি বসতবাড়ির খাবারের সঙ্গে মিশে গিয়ে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যগত সমস্যা তৈরি করছে।
স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেছেন, মনিরের পুকুর থেকে শুরু করে কুটির বাড়ির মোড় হয়ে সরদার বাড়ির মোড় পর্যন্ত সড়কের এখন বেহাল দশা। ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে গ্রামীণ কাঁচা-পাকা রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের যাতায়াতে চরম ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। পুরো গ্রামজুড়ে এখন এক ধরনের আতঙ্ক ও অস্বস্তিকর পরিবেশ বিরাজ করছে।
অভিযুক্ত মাটি ব্যবসায়ী মনির ও বিল্লাল এই অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় স্থানীয় সাংবাদিকদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে সংবাদকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী তাদের অবৈধ আধিপত্য বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
এই পরিস্থিতিতে অবৈধ মাটি কাটা দ্রুত বন্ধের জন্য জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী গ্রামবাসী। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের হুমকি প্রদানের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পুলিশ সুপার মহোদয়েরও দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...