বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ সভাটি সম্পন্ন হয়।
নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভায় ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য ব্যবহারের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের মরণছোবল থেকে রক্ষা করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং ব্যাপক প্রচারণা কার্যক্রম জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নড়াইল পৌরসভা ও উপজেলাগুলোর বিভিন্ন জনবহুল স্থানে ধূমপান ও তামাকবিরোধী সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করা হবে। এছাড়া অভিভাবকদের সচেতন করা এবং প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার স্কুলের অ্যাসেম্বলীতে তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশে তামাকজাত পণ্য ও বিড়ি-সিগারেট বিক্রির দোকানগুলো বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত রাখার বিষয়ে একমত পোষণ করেন কমিটির সদস্যরা।
প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন স্থানে দেয়াল লিখন, ব্যানার প্রদর্শন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সভায় সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নুর-ই আলম সিদ্দিকী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট লিংকন বিশ্বাস এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আহসান মাহমুদ রাসেল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলক মজুমদার, নড়াইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ ও কোষাধ্যক্ষ মো. কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...