বিজ্ঞাপন
দীর্ঘ ৩৯ বছরের কর্মজীবন শেষে অবসর গ্রহণ উপলক্ষে ২৮ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রিয় শিক্ষকের বিদায়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শরিফুল আজম মানিক। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আবুল হাশেম ভূইয়া।
মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুছ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিদায়ী সুপার বাদরুল আলমসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে ছিলেন দুল্লী বৈরাটি মাদ্রাসার সুপার নূরুল গনি খান, ভরাপাড়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজহারুল ইসলাম, গগডা মাদ্রাসার সুপার ইয়াহিয়া, কবি ফখরুল ইসলাম, রায়পুর পিজাহাতি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হারুন অর রশিদ, রাজঘাট ডি.ইউ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আশরাফুল আলম এবং দাখিল পরীক্ষার্থী সায়িম আহম্মাদ।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাবেক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। বিদায়ী সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা, সম্মাননা স্মারক ও বিভিন্ন উপঢৌকন প্রদান করা হয়।
পরে সহকর্মী শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ঘোড়ার গাড়িতে করে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে কেন্দুয়া পৌরশহরে তাঁর বাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেন। এ সময় অনেক শিক্ষার্থী ও সহকর্মী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
বক্তারা বলেন, বাদরুল আলমের দক্ষ নেতৃত্বে মাদ্রাসাটি শিক্ষার মানোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে। তাঁর প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠানটি পাবলিক পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও সাফল্য লাভ করে। সততা, সময়নিষ্ঠা ও মানবিক গুণাবলির জন্য তিনি সবার কাছে শ্রদ্ধেয় হয়ে উঠেছিলেন।
বিদায়ী বক্তব্যে বাদরুল আলম বলেন, “এই মাদ্রাসা আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। জীবনের ৩৯টি বছর আমি এই প্রতিষ্ঠানে কাটিয়েছি। প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নতি ও কল্যাণ কামনা করি।” তিনি সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, মো. বাদরুল আলম ১৯৮৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সুপার পদে যোগদান করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অবসর গ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...