বিজ্ঞাপন
প্রবীর ও অপূর্ব দুই ভাই-ই উচ্চশিক্ষিত। ৫-৬ বছর আগে পৈত্রিক জমিতে বিভিন্ন ফলের চাষ শুরু করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগে তা নষ্ট হয়ে যায়। তবে তারা দমে না গিয়ে ইউটিউব দেখে অনুপ্রাণিত হন এবং চুয়াডাঙ্গা থেকে বিভিন্ন উন্নত জাতের কুলের চারা সংগ্রহ করেন। ঘেরের পাড়ে রোপণ করা এসব গাছে এখন থোকায় থোকায় ঝুলছে ভারত সুন্দরী, কাশ্মীরি আপেল, বল সুন্দরী ও থাই আপেলসহ হরেক জাতের কুল।
চাষি প্রবীর বিশ্বাস ও অপূর্ব বিশ্বাস জানান, তারা মৌসুমে আগাম কুল প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি শুরু করেছিলেন। বর্তমানে বাজারদর কেজিপ্রতি ১০০ টাকা। নিজেদের ক্ষেত নিজেরা দেখাশোনার পাশাপাশি ফল বাছাই করে বিক্রির উপযোগী করতে পরিবারের সদস্যরাও সহযোগিতা করছেন। স্থানীয় বাজারে এসব কুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় পাইকাররা সরাসরি ক্ষেতে এসেই কুল কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এ মৌসুমে খরচ বাদে প্রায় ৫-৭ লাখ টাকা লাভ হবে বলে তারা প্রত্যাশা করছেন।
গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মামুনুর রহমান জানান, কুল চাষ অত্যন্ত লাভজনক হওয়ায় অনেক শিক্ষিত যুবক এতে আগ্রহী হচ্ছেন।
তিনি বলেন, “জেলায় চলতি মৌসুমে ৯০ হেক্টর জমিতে কুলের আবাদ হয়েছে। আমরা চাষিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিচ্ছি।” সুষ্ঠু পরিকল্পনার মাধ্যমে কুলের আবাদ করলে চাষিরা যেমন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবেন, তেমনি দেশের পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...