বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এই ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্তের মিলনমেলায় পরিণত হয় শ্রীঅঙ্গন প্রাঙ্গণ।
সকাল থেকেই উৎসবের আমেজে মেতে ওঠেন সব বয়সী পুণ্যার্থীরা। একে অপরকে আবিরের রঙে রাঙিয়ে দিয়ে দোলযাত্রার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন তারা। বিশেষ করে তরুণ-তরুণীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছিল চোখে পড়ার মতো; তারা নিজেদের রঙিন মুহূর্তগুলো সেলফির মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে আনন্দ ভাগ করে নেন।
উৎসবের কর্মসূচি শুরু হয় ভোর ৫টায় মঙ্গল আরতির মধ্য দিয়ে। এরপর সকাল ৮টায় শৃঙ্গার আরতি অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখতে বিকেল ২টায় শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ এবং বিকেল ৪টায় পদাবলী কীর্তনের আয়োজন করা হয়। ফরিদপুরের প্রখ্যাত কীর্তনশিল্পী পলাশ সরকার পদাবলী কীর্তন পরিবেশন করে ভক্তদের মুগ্ধ করেন।
সন্ধ্যা ৭টায় বিশেষ অভিষেক এবং ৭টা ৩০ মিনিটে সন্ধ্যারতি কীর্তনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটবে। দুপুরের পর থেকে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়লে পুরো শ্রীঅঙ্গন এলাকায় একটি উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
শ্রীঅঙ্গনে আসা ভক্তরা জানান, প্রতিবছর দোলযাত্রার এই উৎসব তাদের জীবনে নতুন রঙের সঞ্চার করে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভক্তির এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, আবিরের রঙে রঙিন হয়ে উৎসবের আনন্দ উপভোগ করছেন কয়েক হাজার ভক্ত।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...