বিজ্ঞাপন
ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. সোহেল আকন নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে ১১টি পদের বিপরীতে মোট ২৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সভাপতি পদে অ্যাডভোকেট মো. শাহাদাৎ হোসেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাহেব হোসেনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। সহ-সভাপতি পদে মো. হারুন আর রশীদ তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. খান শহিদুল ইসলামকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মো. সোহেল আকন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নাসিমুল হাসান ও বি. এম. আমিনুল ইসলামকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মুঃ শামীম আলম, মো. মিজানুর রহমান মুবিন, মো. গোলাম সরওয়ার লিটন, মো. আনিসুর রহমান খান ও মো. নাছির উদ্দিন। এ পদে গোলাম সরওয়ার লিটন ও মিজানুর রহমান মুবিন নির্বাচিত হন। অর্থ সম্পাদক পদে মো. আরিফ হোসেন খান তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শাহাদৎ হোসেনকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ভিজিল্যান্স সম্পাদক পদে মো. মোফাজ্জেল হোসেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. নুরুল ইসলাম খানকে হারিয়ে বিজয়ী হন। লাইব্রেরি (গ্রন্থাগার) সম্পাদক পদে মো. ফিরোজ হোসাইন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মাসুম হাওলাদারকে পরাজিত করে নির্বাচিত হন। ভর্তি সম্পাদক পদে আমির হোসাইন মোল্লা তার প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ফয়সাল খানকে পরাজিত করে বিজয়ী হন। নির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এ. ওয়াই. এ. সাইয়েদ, মো. শাহজাহান, মো. আককাস সিকদার ও মো. মোবাশ্বের আলী ভূঁইয়া। এ পদে আককাস সিকদার ও মোবাশ্বের আলী ভূঁইয়া বাদশা নির্বাচিত হন।
নির্বাচনের ফলাফলে সাধারণ সম্পাদকসহ মোট সাতটি পদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। শাহাদাৎ–নাসিম প্যানেল চারটি পদে জয়লাভ করে। অন্যদিকে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা দুটি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কেউ নির্বাচিত হতে পারেননি।
নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট মো. সৈয়দ হোসেন জানান, নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট গণনা সম্পন্ন করে বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
তিনি বলেন, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে এবং আইনজীবীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...